কোনো দেশে গণতন্ত্র থাকা অথবা না - থাকা কোনো নিশ্চল বিষয় নয় । ফলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে দীর্ঘদিন ধরেই এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে যে কীভাবে একটি দেশ অগণতান্ত্রিক অবস্থা ( বিভিন্ন ধরনের কর্তৃত্ববাদী শাসন , যেমন সামরিক আইন ) থেকে গণতন্ত্রে উত্তরিত হয় । প্রশ্নগুলো সহজ ভাষায় বললে : কেন কিছু দেশ গণতান্ত্রিক এবং কিছু দেশ গণতান্ত্রিক নয় ? কী করে একটি অগণতান্ত্রিক দেশ ‘ অগণতন্ত্র ’ থেকে ‘ গণতন্ত্রে ’ যেতে পারে ? শেষ প্রশ্নের উত্তরের বিষয়টি গণতন্ত্রে উত্তরণ - প্রক্রিয়া বা গণতন্ত্রায়ণ বলে বর্ণনা করা হয় । ১৯৬০ ও ১৯৭০ - এর দশকে আধুনিকায়ন তত্ত্বের (Modernization Paradigm) আলোকে গণতন্ত্রায়ণ - সম্পর্কিত আলোচনায় বলা হয় যে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা বেশি ( লিপসেট , ১৯৫৯ ; এলমন্ড ও ভারবা , ১৯৬৩ ; মুর , ১৯৬৩ ) । যদিও লিপসেট তাঁর আলোচনায় অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ( যেমন : নগরায়ণ , সম্পদ ও শিক্ষা ) ‘ আবশ্যক ’ (Requisite) বলেছেন , ‘ পূর্বশর্ত ’ (Pre-requisite) বলেননি । পরবর্তী ...
এফবিআই (F.B.I) ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন রিপাবলিকান পার্টির রিচার্ড নিক্সন। ১৯৭২ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট পুনর্নির্বাচিত হন। জনপ্রিয়তা ছিল ব্যাপক। কিন্তু এবার তিনি পদত্যাগ করেছিলেন দুই বছরের মাথায়। তাও ইচ্ছায় নয়; একেবারে বাধ্য হয়ে। ১৯৭৪ সালের ৯ আগস্ট তিনি পদত্যাগ করেন। একই সাথে নিক্সনের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে হয়েছিল জেল খাটতে। ১৯৭২ সালে নির্বাচনের মৌসুমে নিক্সনের নির্দেশে ডেমোক্র্যাট পার্টি অফিসে বসানো হয়েছিল আড়িপাতা যন্ত্র। আর এ বিষয়টি ওয়াশিংটন পোস্ট গুরুত্বের সাথে ছাপে। ওই সময়ের দিনগুলোতে মার্কিন অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই’র ওপর নিক্সন প্রশাসনের খবরদারি চলছিল। অন্য দিকে এফবিআই চাচ্ছিল প্রশাসনের খবরদারি থেকে মুক্তি এবং আরো বেশি স্বাধীনতার। এ নিয়ে হোয়াইট হাইসের সাথে এফবিআই’র চলছিল ঠাণ্ডা লড়াই। সেই লড়াইয়ে নিক্সন প্রশাসনকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে ডেমোক্র্যাট অফিসে আড়িপাতার খবর পত্রিকায় সরবরাহ করেছিলেন এফবিআই’র দ্বিতীয় শীর্ষ ও মার্কিন প্রশাসনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ব্যক্তি মার্ক ফেল্ট। আর এই দায় নিয়েই পদত্যাগ করতে হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ও...
Comments